কুড়িগ্রাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কুড়িগ্রাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৬

কুড়িগ্রামের দাসিয়ারছড়াবাসী স্মার্টকার্ড পেয়ে উল্লসিত

কুড়িগ্রামের দাসিয়ারছড়াবাসী স্মার্টকার্ড পেয়ে উল্লসিত

ভোট দেবেন। এর মধ্যে ফুলবাড়ী উপজেলার অভ্যন্তরে দাসিয়ারছড়ায় ২ হাজার ৫৬২ জন এবং ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় ১০টি ছিটমহলের ২৯২ জন। এসব ভোটার ৬টি ইউনিয়নের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছেন।
ফুলবাড়ীর তিন ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ১৪ হাজার ৩১৯ জন। এর মধ্যে বিলুপ্ত ছিটমহলে নতুন ভোটার ২ হাজার ৫৬২।
অন্যদিকে ভুরুঙ্গামারীর তিনটি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৬৩ হাজার ৪২৩। ১০টি ছিটমহলে নতুন ভোটার ২৯২। বিলুপ্ত ছিটমহলে ভোটার তালিকা প্রণয়নের জন্য চলতি বছরের ১০-১৬ জুলাই তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সারাদেশে ষষ্ঠ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদ্যবিলুপ্ত ছিটমহলবাসীকে ভোটার হালনাগাদ না থাকায় বাদ পড়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলো। আগামী ৩১ অক্টোবর কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ফুলবাড়ী সদর, শিমুলবাড়ি ও ভাঙামোড় ইউনিয়ন এবং ভুরুঙ্গামারী উপজেলার ভুরুঙ্গামারী সদর, পাথরডুবি ও শিলখুঁড়ি ইউনিয়নে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার কালিরহাট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি বলেন, আপনারা সুনাগরিক হবেন, নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবেন। এখানে ২০ জন বিলুপ্ত ছিটমহলের নাগরিককে স্মার্টকার্ড দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সাবেক ছিটমহল সংযুক্ত ৩ ইউনিয়নের ভোটারদের এ কার্ড দেয়া হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন এনআইডি মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ছালেকুজ্জামান মো. আবু সালেহ, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক খান মো. নূরুল আমিন প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুল মোবারক, আবু হাফিজ ও শাহনেওয়াজ।
জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে পেয়ে খুশিতে আত্মহারা দাসিয়ারছড়াবাসী। রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা কতা খুশি সেটা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। জীবনের ৪৫ বছরে এসে ভোট দিতে পারছি। স্মার্টকার্ড পেলাম। আর কি চাওয়ার আছে?’
সাবেক ছিটমহল বিনিময় কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বলেন, আমরা অল্প সময়ের মধ্যে অনেক কিছু পেয়েছি। আজ প্রধানমন্ত্রীর পরই আমরা স্মার্টকার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) পেলাম। আমাদের আনন্দের সীমা নেই।
উল্লেখ্য, গেল বছরের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে ভারত-বাংলাদেশের ছিটমহল বিনিময় থেকেই নাগরিকত্বের মর্যাদা পায় দাসিয়ারছড়াসহ বিলুপ্ত ছিটমহলবাসী। উন্নয়ন হতে থাকে
বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে কুড়িগ্রামকে দারিদ্র্যমুক্ত ঘোষণা

বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে কুড়িগ্রামকে দারিদ্র্যমুক্ত ঘোষণা

বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে কুড়িগ্রামকে দারিদ্র্যমুক্ত ঘোষণা
বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলাকে সম্পূর্ণ দারিদ্র্যমুক্ত ঘোষণার মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্যাডো বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শনিবার দুপুরে কুড়িগ্রাম টেকনিকেল ট্রেনিং সেন্টার চত্বরে এ জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ব্যুরো ম্যান পাওয়ার, ইমপ্লোমেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি) এর মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব সেলিম রেজা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলাকে সম্পূর্ণ দারিদ্র্যমুক্তকরণ ঘোষণা করা হয়।কুড়িগ্রাম জেলার দারিদ্র্যতা বিমোচনের জন্য জেলার লক্ষাধিকেরও বেশি নারী গৃহকর্মী সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে গ্যাডো বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন। আগামী দু’বৎসর পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে বাছাই প্রক্রিয়া শেষে একমাস মেয়াদি প্রশিক্ষণে বিনা খরচে আবাসিক ২৫ থেকে ৪৫ বছরের বিদেশগামী নারী কর্মী তৈরি করবে তারা। জব ফেয়ার অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব রফিকুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- বিএমইটি’র ডিরেক্টর ট্রেনিং খলিলুর রহমান, ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লি. চেয়ারম্যান মি. বেনিতাং, সৌদি আরবের ফ্যালকন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ওয়ালিদ আব্দুল হাদী, গ্রুপ ডিরেক্টর ওসামা তালাত ফাহমি, গ্যাডো বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ জাহিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা ইসলাম এবং লাবণী তালুকদার প্রমুখ। নাজমুল 
উপহারের জনপ্রিয়তা!

উপহারের জনপ্রিয়তা!

14658284_1070065003090397_722428023_nরংপুর টাইমস:
কুড়িগ্রাম এর দুই তরুন সোহেল রুদ্র ও বানি ইসরাইল লিনাদ এর প্রচেষ্ঠায় নির্মীত হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র “উপহার”।
সোহেল রুদ্রের চিত্রনাট্ট সংলাপ ও পরিচালনায় বানি ইসরাইল লিনাদের অর্থায়নে সম্প্রতি নির্মিত রংপুর এর আঞ্চলিক ভাষার স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র “উপহার”।
৬ মিনিট ৬ সেকেন্ডের এ ভিডিওটিতে ভাইবোনের মধুর সম্পর্কের কাছে দারিদ্রতার হার মানার এক অভুতপুর্ব দৃষ্টান্ত দেখা গেছে।
ইউটিউবে মুক্তির মাত্র কিছুদিনের মধ্যেই ১০ হাজার ভিউ এর কাছাকাছি চলে এসেছে এটি। এ বিষয়ে পরিচালক সোহেল রুদ্রের সাথে কথা বলেন আমাদের রিপোর্টার,
# কেমন অাছেন?
: জ্বি ভালো।
# উপহার এর বিষয় কিছু বলবেন?.
অাল্লাহ এর রহমতে অামার নির্মীত উপহার বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এবং বিভিন্ন মহল থেকে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। বন্ধু লিনাদ এর অর্থে নির্মান করা উপহার ছিলো অামার স্বপ্নের মত।নাট্টকার নয়ন ভাইয়ের সাথে গল্প করতে করতে তিনি হঠাৎ একদিন এই গল্পের ধারনা দেন। এক প্রকারর অনুমতি ছাড়াই চিত্রনাট্ট ও সংলাপ লিখি এবং নির্মান শুরু করি। তাকে বলেছিলাম ভাই অাপনার গল্প অামি নষ্ট করবো না জনপ্রিয় করবো।। অাশা করি সে লক্ষে এগিয়ে যাচ্ছে “উপহার”।
14600778_1070055239758040_2106086538_o
# বর্তমান কেমন সময় পার করছেন?
:অাল্লাহ্ এর রহমতে ভালো।তবে অাজ একটু ব্যাস্ত বাবা ঢাকায় এসেছেন ডাক্টার দেখাতে তার সাথেই সারাদিন।
#অাগামী কাজ করবেন কবে?
:কবে শুরু হবে তা বলতে পারছি না।তবে অাশাকরি এই মাসের শেষের দিকে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এর সচেতনতা মূলক ভিডিও নির্মান করবো।এবং ডিসেম্বর এ অামার কাহিনী,চিত্রনাট্ট সসংলাপ ও পরিচালনায় অাবার একটি রংপুর কেন্দ্রিক ভিডিও অাসবে।
#সেই ভিডিও এর কাহিনী কি জানতে পারি?
:ইমমম।। না বলা যাবে না।শুধু এত টুকু বলতে পারি এই কাজ বাংলাদেশ এ প্রথম বারের মত হতে যাচ্ছে।
#অসংখ্য ধন্যবাদ অাপনাকে
:অাপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ। অামার জন্য দোয়া করবেন যে ভালো কিছু নির্মান করতে পারি।
এবং অামার বাবার সুস্থতা  জন্য সবাই দোয়া করবেন।
লিং-https://www.youtube.com/watch?v=LXFYF5kFN1E

শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৬

আওয়ামীলীগের দূর্গ বিএনপি’র দখলে

আওয়ামীলীগের দূর্গ বিএনপি’র দখলে

আওয়ামীলীগের দূর্গ বিএনপি’র দখলে thumbnail
স্টাফ রিপোর্টার:
কুড়িগ্রামে ৪র্থ দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ২টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন এবং বাকী ৬টিতেই বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামীলীগের দূর্গ হিসেবে পরিচিত কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা এখন বিএনপির দখলে চলে গেছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ৪টিতে বিজয়ী হয়েছিল আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী। কিন্তু এবারে আওয়ামীলীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী   থাকা এবং জেলা নেতা ও তৃণমূল নেতা-কর্মীরা বিদ্রোহীদের হয়ে কাজ করায় নৌকার ভরাডুবির হয়েছে। বিএনপির দূর্গ শক্তিশালী হওয়ায় কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগে রীতিমত অশনি সঙ্কেত দেখা দিয়েছে।
অপরদিকে, রাজারহাট উপজেলা আওয়ামীলীগের শক্তিশালী সাংগাঠনিক দক্ষতায় ৭টি ইউনিয়নের ৬টিতেই নৌকা প্রতীক বিজয়ী হয়েছে।
এদিকে, ফুলবাড়ী উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ১টিতে আওয়ামীলীগ, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ১টিতে এবং ১টিতে বিএনপি’র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন- কাঁঠালবাড়ী ইউপিতে আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু (নৌকা), ঘোগাদহ ইউনিয়নে শাহ আলম (নৌকা), বেলগাছা ইউনিয়নে মাহবুবুর রহমান (ধানের শীষ), মোগলবাসা ইউপিতে নুরজামাল বাবলু (ধানের শীষ), যাত্রাপুর ইউপিতে আইয়ুব আলী সরকার (ধানের শীষ), পাঁচগাছি ইউপিতে দেলওয়ার হোসেন (ধানের শীষ), ভোগডাঙ্গা ইউপিতে সাইদুর রহমান (ধানের শীষ), হোলখানা ইউপিতে ওমর ফারুক (ধানের শীষ)।
রাজারহাটের নাজিমখান ইউনিয়নে আব্দুল মালেক নয়া পাটোয়ারী (নৌকা), রাজারহাট সদর ইউপিতে এনামুল হক  (নৌকা), বিদ্যানন্দ ইউপিতে তাইজুল ইসলাম (নৌকা), ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নে রবীন্দ্র নাথ (নৌকা), চাকিরপশার ইউপিতে জাহিদ সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি (নৌকা), উমর মজিদ ইউপিতে মোহাম্মদ আলী (নৌকা) ও ছিনাই ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নুরুজ্জামান বুলু (চশমা মার্কা) নিয়ে বিজয়ী হয়েছে।
ফুলবাড়ী উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের শিমুলবাড়ী ইউপিতে এজাহার আলী (নৌকা), বড়ভিটা ইউপিতে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খয়বর আলী (মোটর সাইকেল) ও নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে বিএনপি’র প্রার্থী মোসাব্বের আলী মুসা (ধানের শীষ) মার্কা নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের নেতারা প্রকাশ্যে বিদ্রোহী প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ভোট প্রার্থনা করেছেন। এর কারণ হিসেবে উঠে এসেছে, দলীয় কোন্দল এবং নিজেদের প্রভাব বিস্তারে পক্ষ-বিপক্ষে অবস্থান নেয়া।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলায় আওয়ামীলীগের ফল বিপর্যয়ের ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মন্ডল জানান, সদর উপজেলায় আওয়ামীলীগের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। এর ফলে আমাদেরকে পরাজয় বরণ করতো হলো। আমাদের জেলা নেতাদের সংকীর্ণ মানসিকতার কারণে বৃহৎ স্বার্থ আজ জালাঞ্জলি। এর থেকে বেরিয়ে আসা ছাড়া বিকল্প পথ নেই।

শিশু পাচার প্রতিরোধে কুড়িগ্রামে সাংবাদিক প্রশিক্ষন

শিশু পাচার প্রতিরোধে কুড়িগ্রামে সাংবাদিক প্রশিক্ষন

স্টাফ রিপোর্টার:
শিশু পাচার প্রতিরোধে প্রচারনা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কুড়িগ্রামে দিনব্যাপী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাব হলরুমে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষনের আয়োজন করে সোস্যাল এন্ড ইকোনমি এনহেন্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সিপ) বাংলাদেশ।
প্রশিক্ষনে জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার ৪০ জন সাংবাদিক অংশ নেয়। প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন সিপ বাংলাদেশের পরিচালক (পরীক্ষন ও মূল্যায়ন) মোঃ জাহিদ হোসেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি মমিনুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল ভৌমিক, স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা সলিডারিটির প্রোগ্রাম অফিসার সিসিলিয়া ঢাকী ও হালিমা আক্তার স্বর্ণ।
প্রশিক্ষনে দেশের ২০টি ঝুকিপুর্ণ জেলার গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলে শিশু পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে করনীয় বিষয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।